প্রথম বাংলা – ২০২২ সালের ১৬ জুলাই ময়মনসিংহের ত্রিশালে ট্রাক চাপায় মা’য়ের গর্ভফেটে অলৌকিকভাবে জন্ম নেয় শিশু ফাতেমা। তৎকালীন সময়ে বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করা এই ঘটনাটি জানতে পেরে শিশু ফাতেমার পরিবারের ভরনপোষনে র দায়িত্ব গ্রহন করেন বর্তমান সরকারের মানবিক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেই থেকে বিগত ৪৪ মাস ধরে নিয়মিত প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে মাসিক খাবার যাচ্ছে ওই পারিবারে এনিয়ে স্থানীয়দের প্রশংসায় ভাসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে প্রতিমাসের ন্যায় টানা ৪৪তম মাসের বাজার সামগ্রী শিশু ফাতেমার ৫ সদস্যের পরিবারে পৌঁছে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক বিভাগীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক নাইমুল করিম লুইন। মাসিক বাজারের মধ্যে রয়েছে— চাল, ডাল, চিড়া, মুড়ি, চিনি, তেল, লবন, মুরগীসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সব ধরনের খাদ্য সামগ্রী।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব, আমরা বিএনপি পরিবারের আহবায়ক, বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য এবং দৈনিক দিনকাল পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক আতিকুর রহমান রুমন নিয়মিত এই পরিবারটির খোঁজখবর রাখছেন বলেও জানান ছাত্রনেতা নাইমুল করিম লুইন। তিনি আরো বলেন, টানা ৪৪ মাস ধরে ওই পরিবারটিতে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে মাসিক বাজার পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রম্নতি বাস্তবায়নে শিশু ফাতেমার পরিবারে আগামীতেও এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ত্রিশাল উপজেলার মঠবাড়ী ইউনিয়নের রায়মনি গ্রামের ফকিরবাড়ীর বাসিন্দা ও শিশু ফাতেমার দাদা মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল। তিনি দৈনিক দিনকালকে বলেন, শিশু ফাতেমা’র জন্মের মাস থেকে শুরু করে প্রতিমাসে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে আমার পরিবারের মাসিক বাজার পেঁৗছে দেওয়া হয়। এজন্য আমার কখনো অপেক্ষা করতে হয় না। একজন ছাত্রনেতা প্রতিমাসে বাড়ীতে এসে বাজার দিয়ে যায়।
এ সময় বিষয়টি নিয়ে অনুভূতি জানতে চাইলে মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল আরো বলেন, একজন প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় শত ব্যস্ততার মাঝেও আমার শিশু নাতিকে মনে রেখে প্রতিমাসে আমাদের পরিবারে খাবার দিচ্ছেন, এরচেয়ে বড় পাওয়া আর কী হতে পারে। এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। আল্লাহ অবশ্যই প্রধানমন্ত্রীকে এর উত্তম প্রতিদান দিবেন। আমরা পারিবারিকভাবে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি চিরকৃতজ্ঞ।
স্থানীয় বাসিন্দা শাহজাহানসহ আরো অনেকেই জানান, প্রতিমাসে শিশু ফাতেমার পরিবারে প্রধানমন্ত্রী খাবার পাঠান, এটা গ্রামবাসী সবাই জানে। এটি অনেক বড় মানবিকতার বিষয়। সাধারনত রাজনৈতিক নেতারা প্রতিশ্রম্নতি দিলেও তা বাস্তবায়ন হয় খুব কম। কিন্তু এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম দেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি শিশু ফাতেমার পরিবারকে মনে রেখে এর দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
পারিবারিক সূত্র জানায়, বর্তমানে শিশু ফাতেমা রাজধানীর আজিমপুর ছোট্টমনি নিবাসে রয়েছেন। বর্তমানে তার বয়স ৪৪ মাস। তবে তার বয়স ৬ বছর পূর্ন হলে ছোট্টমনি নিবাস থেকে শিশু ফাতেমাকে দেওয়া হবে এতিমখানায়। এরপর সেখান থেকে পরিবারের কাছে ফাতেমাকে হস্থান্তর করা হবে। এছাড়াও বর্তমানে শিশু ফাতেমার জন্য সাড়ে ১৩ লক্ষ টাকা একটি ব্যাংকে জমা আছে বলেও জানান দাদা মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল।