May 11, 2026, 12:09 pm
শিরোনামঃ
নেত্রকোনা খাদ্য বিভাগে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ (২) মৃত্যুর মিছিলে আবারো শোকের ছায়া সুনতি বাঁশি মামলার তদন্তে সত্যতা ছাড়া কোনো” সাংবাদিককে গ্রেফতার করা যাবেনা রাজারবাগে বর্ণাঢ্য আয়োজনে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ এর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী পুলিশের যৌক্তিক দাবিসমূহ পূরণ করা হবে :স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যেভাবে এলো মা দিবস প্রথমবারের মতো ডিএসসিসি’র নিজস্ব প্রাক বর্ষা এডিস লার্ভা জরিপ শুরু স্থানীয় পর্যায়ে অপরাধ দমনে আমাদের আরও চেষ্টা বাড়াতে হবে : ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক পুলিশ যেন আর কখনো জনগণের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ব্যবহৃত না হয়: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ নিরা পত্তা ও পারস্পরিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

নেত্রকোনা খাদ্য বিভাগে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ (২)

Reporter Name

স্টাফ রিপোর্টার : খাদ্য অধিদপ্তরের অধিনে নেত্রকোনা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তার কার্যালয় ঘুষ দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে যেন দেখার কেউ নেই উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা কি দুর্নীতির সাথে জড়িত।বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে দুর্নীতি ও অনিয়মের সংবাদ প্রকাশ এর পরও রয়েছে বহাল তরবিয়তে।

অনুসন্ধানে জানা যায় জেলার খাদ্য গুদামগুলোতে ভালো মানের চাউল মজুদ থাকলে বেশি দামে তা বাইরে বিক্রি করে নিম্ন মানের কিছু চাউল মজুদ করে।

এতে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসিএলএসডি)র পকেটে উঠে লাখ, লাখ টাকা। জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ভাগ পেয়ে নীরব থাকে।
একটি সুত্র জানায় নেত্রকোনা জেলার ঠাকুরাকোনা, সদর, পুর্বধলা, বারহাট্টা, মোহনগঞ্জ সহ জেলার বিভিন্ন খাদ্য গুদামে শত, শত টন চাউল এর ঘাটতি। জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোয়েতাছুর রহমান হুমায়ুন জেনেও বিশেষ সুবিধা নিয়ে রয়েছে নীরব। উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ সরেজমিন তদন্ত করলে বেড়িয়ে আসবে ভয়াবহ অনিয়ম ও দুর্নীতি।

খাদ্য পরিদর্শক দ্বীতিয় শ্রেণীর কর্মকর্তা হয়ে এলএসডিতে পোস্টিং নিয়ে দুই থেকে তিন বছরেই কয়েক কোটি টাকার মালিক বনে যায়। এ অর্থের উৎস কোথায়। জানা যায় খাদ্য গুদামে পোস্টিং পেতে লাখ, লাখ টাকা খরচ করতে হয়। ময়মনসিংহ বিভাগের নেত্রকোনা, জামালপুর, শেরপুর খাদ্য বিভাগে অনেক সিনিয়র খাদ্য পরিদর্শক থাকার পরও টাকা খরচ করতে না পারায় এলএসডিতে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পদে পোস্টিং পায় না। এনিয়ে খাদ্য বিভাগে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। স্টক রেজিস্টার এর সাথে গুদামের মালামাল এর রয়েছে গড়মিল।

সরকারিভাবে জেলা বিভিন্ন উপজেলায় পুষ্টি চাউল দিয়ে থাকে খাদ্য অধিদপ্তর খাদ্য বান্ধব ডিলারদের মাধ্যামে বিতরণের জন্য। প্রতি কেজি পুষ্টি চাউলের দাম ২২শত টাকা কেজি। পুষ্টি চাউল অর্ধেক বিতরণ করে মিল মালিক, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক এবং ওসিএলএসডি দের যোগসাজযে খাদ্য অধিদপ্তরের আমদানি কারক এর কাছে বিক্রি করে লাখ, লাখ টাকা ভাগবাটোয়ারা করছে। জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোয়েতাছুর রহমান হুমায়ুনের বিরুদ্বে ওএমএস ডিলার, খাদ্য বান্ধব ডিলারদের কাছ থেকে মাসোয়ারা নেওয়ায় রয়েছে অভিযোগ।

সদর খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রেজাউল করিম ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যামে অর্থ কামানোর জন্য লাখ লাখ টাকা খরচ করে পোস্টিং নেয়। ময়মনসিংহ থেকে যেয়ে নেত্রকোনা অফিস করে থাকেন।

জেলার বিভিন্ন খাদ্য গুদাম থেকে সরকারি বিভিন্ন কর্মসুচীর চাউল ওজনে কম দেওয়া হয়। এ নিয়ে রয়েছে বির্তক।
এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির ব্যাপারে নেত্রকোনা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোয়েতাছুর রহমান এর মতামত জানতে বার, বার ফোন দিলেও রিসিভ করেননি।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST