August 30, 2026, 2:20 am
শিরোনামঃ
বেগমগঞ্জে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার নির্মাণকাজে বাধা ও পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ, নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভয়ভীতি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ, আলী আকবরের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি গণপূর্তের হিসাবরক্ষকের বিরুদ্ধে বিল আটকে অর্থ দাবির অভিযোগ, তদন্তের দাবি সেনবাগে মাদরাসা শিক্ষার’মান্নোয়নে মতবিনিময় সভা ও শিক্ষকদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠিত শাহজাদপুরে জামিরতা বাজারে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস্ বিভাগের নতুন ডিসি মোঃ আকতার হোসেন পাটগ্রাম PIO কার্যালয় ঘিরে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন-২০২৫–২৬ অর্থবছরের প্রকল্পের তথ্য প্রকাশের দাবি, কর্মকর্তার বক্তব্য না পাওয়ার অভিযোগ: কক্সবাজারে হোটেলের বারে সংঘর্ষে যুবক নিহত, পুলিশ হেফাজতে থাকা যুবকেরও মৃত্যু অর্থসংকটে থমকে যাওয়া চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন পূরণে ফাতেমার পাশে প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

ময়মনসিংহ ভূমি অফিসের ভুমি সহকারী কর্মকর্তা সিরাজুলের আলিশান বাড়ী ঘুষ বাণিজ্য ও দুর্নীতির অভিযোগ

Reporter Name

প্রথম বাংলা – ময়মনসিংহ পৌর ভূমি অফিসের নায়েব মোঃ সিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য ও দুর্নীতির অভিযোগে ভুমি মালিকের তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ভূমি সেবা নিতে আসা সাধারণ জনগণের কাছ থেকে ঘুষ আদায় করছেন এবং সরকারি দায়িত্বের সুযোগে একটি দালাল সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন।

অভিযোগ উঠেছে, সিরাজুল ইসলাম এর আগেও কেওয়াটখালি ভূমি অফিসে কর্মরত থাকাকালীন একই ধরনের দুর্নীতি করে আসছিলেন। সেখানে জমির নামজারীর ফাইল প্রতি ১০ হাজার টাকা করে ঘুষ দাবি করা হতো, এবং এই অনৈতিক কার্যকলাপ এখনো সেখানে চলমান থাকার অভিযোগ উঠেছে।

ময়মনসিংহ পৌর ভূমি অফিসে যোগ দেওয়ার পরও তার অপকর্ম থামেনি এখানেও তিনি জনগণের কাজ দ্রুত সমাধান করার জন্য ঘুষ গ্রহণ করে চলেছেন। স্থানীয়রা অভিযোগ করছেন, সিরাজুল ইসলাম এখন ময়মনসিংহের মাসকান্দা এলাকায় বিলাসবহুল একটি বহুতল বাড়ি নির্মাণ করেছেন, যার মূল্য প্রায় ৪ কোটি টাকা। স্থানীয়দের মতে, এত কম সময়ে বিপুল পরিমাণ টাকা অর্জন কীভাবে সম্ভব, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

তাছাড়া, একাধিক সূত্র জানায় যে, সিরাজুল ইসলাম প্রভাবশালীদের সাথে সিন্ডিকেট গড়ে ঘুষ বাণিজ্য চালিয়ে গেছেন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বিভিন্ন সময় মামলার হুমকি দিয়ে সাংবাদিকদের চুপ করানোর চেষ্টা করেন এবং দলীয় নেতাদের নাম করে হুমকি দেন।

এ বিষয়ে স্থানীয় জনগণ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা তদন্তের দাবি জানিয়েছেন এবং সিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের মতে, তিনি ‘দুর্নীতিবাজ’ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছেন, যিনি জনগণের অধিকার খর্ব করছেন এবং সরকারি সম্পদের অপব্যবহার করছেন।

স্থানীয়রা বিশ্বাস করেন, এমন একজন দুর্নীতিবাজ ব্যক্তি জনগণের সেবা করতে পারেন না। তারা সিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত করার পাশাপাশি তাকে ময়মনসিংহ থেকে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।

এছাড়া, ভূমি অফিসে সেবা প্রদানের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মনোযোগ আকর্ষণ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এ ঘটনায় সিরাজুল ইসলামের বিলাসবহুল জীবনযাপন ও সম্পদের বিষয়ে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে, যা প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে। তাই, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জনগণ ও স্থানীয় নেতারা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

সিরজুল ইসলাম গত মাসে ভাটিকাশর ও মাসকান্দা এলাকার দুই জন ভুমির মালিককে কাগজপত্রের গ্যাড়াকলে ফেলিয়ে নামজারী বাবত ৩ লক্ষ টাকা ঘুষ নিয়ে।
এ ব্যাপারে ভুমি সহকারী কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম এর মতামত জানতে একাধিকবার বার ফোন দিলেও ফোন রিসিভ করেননি।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST