প্রথম বাংলা : ময়মনসিংহ জেলার পূর্বধলা থানায় কাকন মিয়া (২৮) হত্যা মামলার আসামী মোঃ হুমায়ুন কবীর(২৯) সিপিএস সি, র্যাব-১৪, ময়মনসিংহ কর্তৃক গ্রেফতার।
এজাহার সূত্রে পাওয়া যায়, ভিকটিম কাকন মিয়া (২৮) পেশায় একজন রেলওয়ের পয়েন্ট ম্যান হিসেবে গৌরিপুর রেলওয়ে স্টেশনে কর্মরত ছিলেন। গত ০২ এপ্রিল ২৫ খ্রি. তারিখ ঈদের পরের দিন জাওয়ানি উচ্চ বিদ্যালয় এর ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে এলাকার ছেলেদের সাথে ১ নং বিবাদী আব্দুর রহিমের সাথে ঝগড়া হয়।
এজাহার নামীয় ১ নং বিবাদী আব্দুর রহিমের ধারনা ৫ নং সাক্ষী মোঃ আব্দুল মোমেন এর ইন্ধনে এই ঘটনার সৃষ্টি হয়। তারই প্রেক্ষিতে কিছুদিন পরে ৫ নং সাক্ষী মোঃ আব্দুল মোমেনকে বিবাদী আব্দুর রহিম, মোঃ আব্দুর রশিদ ও মোঃ কালাচান মিয়া ওরফে কালামগন মারধর করেন।৫ নং সাক্ষী আব্দুল মোমেন ভিকটিম কাকন এর বন্ধু হওয়ায় শাসাইয়া দেয়।
পরবর্তীতে এই ঘটনা স্থানীয় সালিশের মাধ্যমে সমাধান হলেও ১,২ ও ৩ নং বিবাদীরা মনে মনে খুব ক্ষোভ পোষন করে রাখে গত ৫ আগস্ট ২৫ খ্রি. তারিখে সরকারী ছুটি থাকায় ভিকটিম তার নিজ বাড়িতে বাড়িতে যায় এবং ৬ আগস্ট ২৫খ্রি. পার্শ্ববর্তী গ্রামে রুবেল মিয়ার ফিসারিতে মাছ ধরার গিয়ে মাছ ধরে ফেরা র পথে রাত্রি অনুমান ০১.৩০ ঘটিকায় ১১ নং সাক্ষী খেলন মিয়ার বসত বাড়ির পূর্ব-উত্তর কোণে কাঁচা রাস্তার উপর পৌঁছালে সকল বিবাদীরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে ভিকটিম কাকনের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
স্থানীয়দের সহায়তায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভিকটিম কাকনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎ সাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যূ বরণ করেন। এ ঘটনায় ভিকটিমের দুলাভাই নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।যার মামলা নং-০৭,তারিখ: ১২ আগস্ট ২০২৫খ্রি ., ধারা-৩০২/৫০৬(২)/৩৪ পেনাল কোড; ১৮৬০। এ ঘটনার পর সিপিএস, র্যাব-১৪, ময়মনসিংহ ছায়া তদন্ত সহ পলাতক আসামীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে তৎপর হয়।
র্যাব-১৪,সিপিএসসি,ময়মনসিংহ ধৃত আসামীর বর্তমান অবস্থান নিশ্চিত হয়ে র্যাব-১৫,সিপিসি-৩,বান্দরবান ক্যাম্পের সহায়তায় ১৬ আগস্ট ২৫খ্রিঃ আনুমানিক ১২:০০ ঘটিকায় বান্দরবান জেলার সদর থানাধীন উজানী পাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা থানার ভিকটিম কাকন মিয়া (২৮) হত্যা মামলার ৮ নং এজাহারনামীয় আসামী হুমায়ুন কবীর (২৯)কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বান্দরবান জেলার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।