শরণখোলা প্রতিনিধি:
রাজনীতি ও নির্বাচন মানেই শুধু ক্ষমতার লড়াই নয়, এর মূল উদ্দেশ্য হলো জনগণের নিঃস্বার্থ সেবা করা। আর এই সেবার ক্ষেত্রে যিনি নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন, তিনি হলেন ৩ নং রায়েন্দা ইউনিয়নের সবার সুপরিচিত ও প্রিয় মুখ—আলহাজ্ব ফরিদ উদ্দিন মানিক। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে থাকা অন্য সকল সম্মানিত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীদের প্রতি অত্যন্ত বিনম্র চিত্তে ও সম্মানের সাথে কিছু বাস্তব সত্য কথা তুলে ধরে এলাকার একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে একটি বিশেষ আহ্বান ও খোলা চিঠি পেশ করা হলো।
এলাকাবাসী ও সংশ্লিষ্টদের মতে, আলহাজ্ব ফরিদ উদ্দিন মানিক ভাইয়ের রক্তে মিশে আছে জনসেবার এক দীর্ঘ ঐতিহাসিক ঐতিহ্য। তাঁর শ্রদ্ধেয় পিতা মরহুম আব্দুস সালাম হাওলাদার সাহেব অত্র ৩ নং রায়েন্দা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বারবার নির্বাচিত সফল মেম্বার এবং ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি ছিলেন।
তিনি দীর্ঘ ৩০ থেকে ৩৫ বছর ধরে অত্যন্ত সুনাম, সততা এবং চরম ন্যায়পরায়ণতার সাথে এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে ছিলেন এবং বিচার-শালিস পরিচালনা করেছেন। মানুষ যখনই প্রকৃত ন্যায়বিচারের খোঁজ করেছে, চোখ বন্ধ করে তাঁর কাছে ছুটে এসেছে।
কথায় আছে, “যোগ্য পিতার যোগ্য সন্তান”। আলহাজ্ব ফরিদ উদ্দিন মানিক ভাই বাবার সেই সততার আদর্শকে বুকে ধারণ করেই আজীবন মানুষের সেবা করে যাচ্ছেন। বিগত ১৭টি বছর দেশের নানামুখী কঠিন পরিস্থিতিতে যখন সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মতো কাউকেই পাওয়া যায়নি, তখনো তিনি দূর প্রবাসে থেকেও এলাকার মানুষের অন্তরের অন্তস্তলে মিশে ছিলেন, বাড়িয়ে দিয়েছেন সহযোগিতার হাত।
সবচেয়ে বড় এবং দৃশ্যমান সত্য হলো—তিনি আজ পর্যন্ত কোনো সরকারি পদে বসেননি, কোনো ক্ষমতার চেয়ারেও ছিলেন না। অথচ কোনো সরকারি পদ বা ক্ষমতা ছাড়াও তিনি নিজের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে কোটি কোটি টাকা খরচ করে একের পর এক মসজিদ নির্মাণ করেছেন, বহুমুখী সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন এবং নিরবে গরিব-অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। অনেক জনপ্রতিনিধি ক্ষমতায় থেকে এবং সরকারি কোটি কোটি টাকার বাজেট পেয়েও যে পরিমাণ দৃশ্যমান উন্নয়ন করতে পারেন না, আলহাজ্ব ফরিদ উদ্দিন মানিক ভাই কোনো পদে না থেকেও তার চেয়ে অনেক বেশি কাজ একা করে দেখিয়েছেন!
এই বাস্তবতায় নির্বাচনী মাঠে থাকা সকল প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের কাছে রায়েন্দা ইউনিয়নের একজন সাধারণ ও সচেতন নাগরিকের অত্যন্ত যৌক্তিক এবং বিনীত প্রশ্ন—যিনি কোনো ক্ষমতায় না থেকেই রায়েন্দা ইউনিয়নের জন্য এত বড় অবদান রাখতে পেরেছেন, তিনি যদি জনগণের ভোটে ও সমর্থনে চেয়ারম্যানের চেয়ারে বসেন, তাহলে আমাদের ইউনিয়নের চেহারা কতটা বদলে যাবে এবং কত গুণ বেশি উন্নয়ন হবে, তা আপনারা সহজেই অনুধাবন করতে পারেন।
তাই নির্বাচনী মাঠে থাকা অন্য সকল সম্মানিত প্রার্থীদের কাছে বিনীত আহ্বান ও সহযোগিতা প্রার্থনা করে বলা হয়—আসুন, আমরা আলহাজ্ব ফরিদ উদ্দিন মানিক ভাইয়ের এই নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও বিশাল অবদানকে সম্মান জানাই। কোনো প্রকার হিংসা বা দ্বেষ না রেখে, একটি সুন্দর ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রেখে রায়েন্দা ইউনিয়নের প্রকৃত উন্নয়নের স্বার্থে আমরা সবাই এক হই।
এই যোগ্য ও পরীক্ষিত মানুষটিকে চেয়ারম্যান হিসেবে একবার কাজ করার সুযোগ করে দিয়ে আপনারা আপনাদের উদারতার পরিচয় দিন। এলাকার সুন্দর ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের স্বার্থে দলমত নির্বিশেষে আসুন আমরা সবাই আলহাজ্ব ফরিদ উদ্দিন মানিক ভাইয়ের পাশে দাঁড়াই।