বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান, চট্টগ্রাম:
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়া উপজেলায় পৃথক চারটি অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসব অভিযানে মোট ৬৩ হাজার ৬৮ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়েছে এবং এক দম্পতিসহ মোট ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একই সঙ্গে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেট জিপ ও একটি মোটর সাইকেল জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়,রোববার দুপুর থেকে গভীর রাত পর্যন্তলোহা গাড়া উপজেলার চুনতি ও আমিরাবাদ এলাকায় ধারাবাহিক চেক পোস্ট ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।সবচে য়ে বড় অভিযানে রাতে চুনতি এলাকায় একটি সন্দেহভাজ ন প্রাইভেট জিপ থামানোর সংকেত দিলে চালক পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।পরে পুলিশের কৌশলগত ব্যারিকে ডে গাড়িটি আটক করা হয়। তল্লাশিতে গাড়ির ইঞ্জিনের পাশে বিশেষভাবে লুকিয়ে রাখা ৬০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় গাড়িতে থাকা মো. আল মামুন,তার স্ত্রী ইসমাত জেরি ন এবং চালক মোহাম্মদ আলীকে গ্রেফতার করা হয় পুলিশ জানিয়েছে,আল মামুনের বিরুদ্ধে আগেও মাদকসং ক্রান্তমামলা রয়েছে।অপর এক অভিযানে আমিরাবাদ এলা কায় একটি দূরপাল্লার বাসের যাত্রী মো. সিদ্দিককে সন্দেহ জনক আচরণের কারণে আটক করা হয়।পরে চিকিৎসকে র তত্ত্বাবধানে পরীক্ষা -নিরীক্ষার পর তার শরীরের ভেতর থেকে ৭৬৮ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।সন্ধ্যায় চুনতি এলাকায় আরেকটি চেকপোস্টে একটি মোট রসাইকেল তল্লাশি করে গিয়ার বক্সের ভেতর লুকানো ২ হাজার পিস ইয়াবা পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় মোটরসাইকেলচালক ইলিয়াছ হাবিবকে আটক করা হয় এ ছাড়া গভীর রাতে একই এলাকায় একটি যাত্রী বাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে যাত্রী মিজানুর রহমানের কাছ থেকে ৩০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে পুলিশ।
লোহাগাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)মোহাম্মদ আবদু ল্লাহ বলেন,মাদকবিরোধী চলমান অভিযানের অংশহিসেবে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।গ্রেফতার ব্যক্তিদে র বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ব্যবহার করে মাদক পাচার ঠেকাতে নিয়মিত চেকপোস্ট গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হবে।