May 31, 2026, 7:18 am
শিরোনামঃ
দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা ঈদের জামাত ও ফাঁকা ঢাকার নিরাপত্তায় ডিএমপি বহুমাত্রিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে: ডিএমপি কমিশনার ময়মনসিংহ জেলায় কর্মরত আউটসোর্সিং সদস্যদের মাঝে পবিত্র ঈদ উল আযহা উপলক্ষে ঈদ উপহার পুনাকের সামগ্রী বিতরণ “ঈদ উপলক্ষে ঘরমুখো যাত্রীদের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার কর্তৃক বিভিন্ন থানা ও মহাসড়ক পরিদর্শন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে ময়মনসিংহ মডেল থানা পুলিশ ঈদে নিরাপত্তা নিয়ে কোনো হুমকি নেই : র‌্যাব মহাপরিচালক ঈদের সার্বিক নিরাপত্তা ও মহাসড়ক তদারকিতে কঠোর অবস্থানে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী “বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা সংগঠনের নাম পরিবর্তন করে’ বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা লীগ -এর নাম করণ প্রসঙ্গ” ত্যাগ ও কুরবানির মহিমায় উদ্ভাসিত হোক প্রতিটি মুসলিম পরিবার, ঈদ-উল-আজহার শুভেচ্ছায় দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আইসিআরসি বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

বাঘায় গমের রেকর্ড উৎপাদন

Reporter Name

আবুল হাশেম রাজশাহী ব‍্যুরোচীফঃ

আবহাওয়া অনুকূল এবং কৃষি বিভাগের তৎপরতায় বিগত কয়েক বছরের চেয়ে রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় এ বছর গমের রেকর্ড উৎপাদন হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে,উপজেলার ৫৭১০ হেক্টর জমিতে মোট ২৬ হাজার ৯৫ মেট্রিক টন গম উৎপাদন হয়েছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ৮৮ কোটি টাকা।রোগ প্রতিরোধী উচ্চ ফলনশীল বারি গম-৩৩ জাতের আবাদ এবং কর্তনে কম্বাইন হার্ভেস্টার এর ব্যবহার সংগ্রহোত্তর লস হ্রাস পাওয়ায় এই ফলন বেড়েছে বলে মনে করেন স্থানীয় কৃষি বিভাগ।

বাঘা উপজেলার খানপুর গ্রামের বাসিন্দা মোঃ আজদার হোসেন জানান,তিনি এবার ৩ বিঘা জমিতে বারি গম-৩৩ আবাদ করেছেন,বিঘা প্রতি প্রায় ১৮ মণ হারে ফলন পেয়ে ছেন। হাবাসপুর গ্রামের গম চাষী মোঃ সাহাবুল ইসলাম বলেন,এ বছর আমরা কম্বাইন হার্ভেস্টার দিয়ে গম কর্তন করেছি।কৃষি অফিস থেকে কালবৈশাখী ঝড়ের পূর্বাভাস পাওয়ায়,আমাদের গ্রামের সবাই সম্মিলিত ভাবে মেশিন দিয়ে গম কেটেছি।ফলন বিঘা প্রতি ১৬-১৭ মণ পেয়েছি। আগে আমরা বারি গম- ২৬,২৮,৩০ গম করতাম,কিন্তু এ বছর সবাই বারি গম-৩৩ আবাদ করছি।এই গমের ফলনও বেশি, রোগ বালাইও কম লাগে।এছাড়াও মেশিন দিয়ে কাটায় খরচও কম হইছে।উপজেলার চকরাজাপুর,খান পুর,বারশতদিয়ার,মনিগ্রাম,পাকুড়িয়া,গড়গড়ি, বাউশা, আড়ানীসহ বাজুবাঘার বিভিন্ন মাঠে প্রায় ৩০ টির মত কম্বাইন হার্ভেস্টার দিয়ে এইবার গম কর্তন করতে দেখা গেছে। মেশিন দিয়ে ধান কাটতে বিঘা প্রতি ১৪০০-১৮০০ টাকা নিয়েছেন চালকরা। এই মেশিন দিয়ে এক সাথে গম কাটা, মাড়াই,ঝাড়াই ও বস্তাবন্দি হয়ে যাচ্ছে। এতে করে শ্রমিক সংকট অনেকাংশে দূর হয়েছে এবং দ্রুত সময়ে গম কেটে ঘরে তোলা সম্ভব হয়েছে।

বাঘা উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ শফিউল্লাহ সুলতান বলেন, কৃষির উৎপাদন বাড়াতে উন্নত জাতের ব্যবহার এবং সেইসাথে যান্ত্রিকীকরণের কোন বিকল্প নাই। বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে আমাদের ২০৩০ সালের মধ্যে খাদ্য উৎপাদন প্রায় দ্বিগুণ করতে হবে।এ কারণেই এ বছর আমরা প্রায় ৯০% জমিতে বারি গম-৩৩ সম্প্রসারণ করতে সক্ষম হয়েছি।তাছাড়া বৈরী আবহাওয়ায় ফসল যাতে নষ্ট না হয়,এ কারণে আমরা বিভিন্ন মাধ্যমে প্রতিনি য়ত কৃষি আবহাওয়া পুর্বাভাস কৃষকদের কাছে পৌঁছিয়ে দিয়েছি।কৃষকরা যাতে নির্বিঘ্নে গম কাটতে পারে,তজ্জন্যে প্রায় ৩০ টির অধিক কম্বাইন হারভেস্টার এর ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কৃষক,মেশিন অপারেটর,স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং কৃষি বিভাগ,সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা শত ভাগ গম কর্তন করে ঘরে তুলতে সক্ষম হয়েছি। আগামী বছর শতভাগ জমিতে উন্নতজাতের গম আবাদ করা হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST