
বিশেষ প্রতিনিধি-লক্ষীপুর:
লক্ষীপুর সদর উপজেলার ২ নং হামছাদি ইউনিয়ন ৫ নং ওয়ার্ড এর বাসিন্দা ও প্রতিবন্ধী নুর আলম এর বসত ঘর ভাংচুর ও তার স্ত্রী রহিমা আক্তার কে হত্যার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।
একই বাড়ির সন্রাসী হৃদয় ও তার বাবা ফারুকের বিরুদ্ধে। ১ লা মে রোজ শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর পরই হৃদয় ও তার বাবা ফারুকের ভাড়াটিয়া সন্রাসী বাহিনীর লোকজন প্রতিবন্ধী নুর আলম এর বসত ঘরে হামলা ও ভাংচুর করে, এ সময় নুর আলম এর স্ত্রী রহিমা আক্তার ও তার মেয়ে বাঁধা দিতে গেলে ভাড়াটিয়া সন্রাসীরা নুর আলম এর স্ত্রী রহিমা আক্তার কে হত্যার উদ্দেশে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মাথায় আঘাত করে। ও তার নাবালক মেয়ে কে মারধর করে।
এ সময় এলাকাবাসী নুর আলম এর স্ত্রী রহিমা আক্তার কে সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসে। সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ডাক্তার জানান তার মাথায় কয়েকটি সেলাই করে ঔষধ দিয়ে দেওয়া হয়।
বর্তমান এ নুর আলম ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছে।
হৃদয় ও তার বাবা ফারুকের এর
ভাড়াটিয়া সন্রাসী বাহিনীর তান্ডব ও ভাড়াটিয়া সন্রাসী দিয়ে বসত ঘর ভাংচুর।
মারধর করার ভিডিও ইতিমধ্যে বিভিন্ন গন মাধ্যম এ প্রকাশিত হয়।
এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা নুর আলম প্রতিবন্ধী হওয়ায় তার বড় ভাই তাঁকে বাবার সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করে পরে এলাকাবাসীর সহযোগিতা নুর আলম কে একটি ঘর নির্মাণ করার ব্যাবস্থা করে দেওয়া হয়। নুর আলম অত্যন্ত সহজ সরল নিরীহ মানুষ। হৃদয় সন্ত্রাসী প্রকৃতির হওয়ায় যখন যে সরকার ক্ষমতায় আসে তখন সেই দলের লোকদেরকে ম্যানেজ করে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করে যায়।
হৃদয়ের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নিয়ে এলাকাবাসী ও নুর আলম এর পরিবার চরম আতঙ্কে দিন কাটছে।
এলাকাবাসী এসব কর্মকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার এর দাবি জানায়।