মোঃ সোহেল শেখ স্টাফ রিপোর্টার গোপালগঞ্জ:
গোপালগঞ্জ জেলার শেখ ছায়েরা খাতুন মেডিকেল ক লেজ ও হাসপাতালের নানাবিধি সমস্যার করেন প্রতি ষ্ঠানের।প্রধান বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স হাসপাতাল করি ডোরে পার্কিং করতে নিষেধ করায়।দীর্ঘ্য দিন যাবৎ গোপালগঞ্জ জেলা অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমবায় সমিতির সাথে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাথে বিরোধ চলে আস ছিল। এই বিরোধ চরমে পৌঁছালে গোপালগঞ্জ জেলা অ্যাম্বুলেন্স কমিটির সমবায় সমিতি বেসরকারি সকল অ্যাম্বুলেন্স অনিদৃষ্ঠ কালের জন্য ধর্মঘটের ডাক দেন।
আপরদিকে শেখ ছায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজে ও হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স সংকট থাকায় হাসপাতাল কর্তৃ পক্ষ বিপাকে পড়ে যায় রোগীদের নিয়ে।রোগী ভোগা ন্তির ব্যপারটি নিয়ে সমগ্র গোপালগঞ্জে ছড়িয়ে পড়ে।
এ ব্যপারে বিভিন্ন সংবাদপত্রে ও মিডিয়ায় সংবাদ প্রকা শিত হয়।পরবর্তীতে ব্যপারটি গোপালগঞ্জ জেলা আও য়ামী লীগের বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক জি.এম সাহাবু দ্দিন আজম এর কাছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও হাসপা তাল এলাকার পৌরসভার ১২ নং ওয়ার্ডের বার বার নির্বাচিত কাউন্সিলর আল-আমিন ইসলাম। কাউন্সিলর ও পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আলিমুজ্জামান বিটু অবহিত করেন।
গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদ ক জি.এম সাহাবুদ্দিন আজম হাসপালাল কর্তৃপক্ষ ও গোপালগঞ্জ অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমবায় সমিতির সভা পতি ও সাধারণ সম্পাদককে সাথে নিয়ে ব্যপারটি সমাধান করে দেন।তিনি শেখ সাহেরা খাতুন মেডিকে লে কলেজের করিডোরে বেসরকারি ২ টি অ্যাম্বুলেন্স রাখার নির্দেশ দেন। আজম ভাইয়ের সিদ্ধান্তে গোপাল গঞ্জ অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমবায় সমিতির লোকজন আনন্দে উৎফুল্ল হয়ে তাদের প্রাণের নেতাকে ফুল দিয়ে নৌকার প্রতীক বানিয়ে উপহার দেন।
গোপালগঞ্জ জেলা অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমবায় সমিতির সভাপতি ঝিকু মোল্লার কাছে ধর্মঘট অবসানের ব্যপার টি জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমাদের এই অ্যাম্বুলে ন্স নিয়ে খুব বিপাকে ছিলাম। একটি অ্যাম্বুলেন্সের এর সাথে তিনটি পরিবার জড়িত। এই ধর্মঘটের কারণে রোগীদেরও সমস্য হচ্ছিল সেই সাথে সমস্যা হচ্ছিল অ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভার,মালিক ও হেল্পারদের পরিবারের।
আমি ধন্যবাদ জানাই আমাদের প্রাণপ্রিয় নেতাগোপাল গঞ্জের সাধারণ মানুষের সুখ-দঃখের সাথি গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক জি. এম সাহাবুদ্দিন আজম ভাইকে